ইটের গাঁথুনী নিয়ে কিছু কথা !

----------------------------------------
যেটি ছাড়া বিল্ডিং অসম্পূর্ণ কিংবা বিল্ডিং এর কথা আসলেই আগে আসে যে কাজের কথা হ্যাঁ তা হলো #ইটের_গাঁথুনী ।
কিছু কিছু বিষয়ের উপর এ কাজের সময়
বিশেষ ভাবে লক্ষ রাখতে হয় ।যদিও ইঞ্জিনিয়ার ভাইয়েরা আপনারা তো এটি করবেন না ঠিক কিন্তু কাজটা যেন ত্রুটিকম যুক্ত হয় সে বিষয়গুলি খেয়াল রাখতে হবে।
যে যে বিষয়গুলি খেয়াল রাখা জরুরী ইটের কাজ করার সময় নিন্মে তা তুলে ধরা হলো :
ক) ইট গাঁথার সময় প্রত্যেকবার সুতা এবং শল দেখেনিতে হবে গাঁথনী সোজা রাখতে হলে ।
খ) ইটের আকার আকৃতি ঠিক থাকেনা বলে সস্তা
মানের ইট ব্যবহার করা হলে অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায় গাঁথনী সোজা হয় না ।
গ) আকারে ছোট সাইজের ইট ব্যবহার করলে গাঁথনী সমান হয় না, কারণ হলো অধিকাংশ ব্যবসায়ীরা বেশী লাভ করার জন্য ইটকে আকারে ছোট করে থাকে ফলে গাঁথনীর সময় একপাশ মেলালে আরেক পাশ মিলে না, ফলে যে সব সমস্যার সন্মুখীন হতে হয় মিস্ত্রীকে :
#সব জোড়া মাঝখানে পড়েনা ইটের আকার ঠিক না
থাকায়,
#অনেক বেশী মসলার ব্যবহার করতে হয় গাঁথনীর শল মিলাতে গিয়ে, দেখা যায় সিমেন্ট বালুতে অনেক বেশী টাকা ব্যয় হয় ইটের ক্ষেত্রে টাকা বাঁচাতে গিয়ে,
#প্রচুর ইটের অপচয় হয় বেছে বেছে ব্যবহার করতে গিয়ে এবংকি মিস্ত্রিদের সময় বেশী লাগছে, ফলেমিস্ত্রি খরচ বেড়ে যায় ।
ঘ) সেজন্য প্রথম শ্রেনীর ইট এবং পোর্টল্যান্ড
সিমেন্ট ব্যবহার করা উচিত ।
ঙ) FM 1.5 গ্রেডেড বালি ব্যবহার করা উচিত।
চ) মিশ্রনে মসলার অনুপাত হবে ১:৬।
ছ) ইটকে ভালভাবে ব্যবহারের ৬ ঘন্টা আগে ভিজানো এবং ভালভাবে পরিস্কার করা উচিত।
জ) কোন নির্দীষ্ট উদ্দ্যেশ্য না থাকলে ইংলিশ বন্ডে গাঁথুনী করা ভাল ।
ঝ) আধলার ব্যবহার এড়িয়ে চলা ভাল যদি প্রয়োজন না পড়ে ।
ঞ) জোড়াগুলো ইটের সিলমোহর উপরে রেখে মসলাদ্বারা পূর্ণ করা উচিত ।
ট) জোড়ের পুরুত্ব ১৩ মিমি এর বেশী যেন না যায়।
ঠ) জোড়াগুলোর মধ্যে যেন কোন ফাঁক না থাকে,
প্রয়োজনে মশলা দ্বারা পূর্ণ করে সমতল করা অত্যাবশ্যকীয় ।
ড) ইটকে আস্তে আস্তে সম্পূর্ণ বেডের উপর মশলা বিছিয়ে চাপ দিয়ে বসানো উচিত ফলে মশলার সাথে ভাল ভাবে লেগে যায় ।
ঢ) আনুভূমিক হবে সমস্ত কোর্সগুলো এবং সঠিকভাবে খাড়া হবে খাড়া জোড়াগুলো ।
ণ) সর্বোচ্চ ১.৫ মিটারের বেশী গাঁথুনী করা উচিত নয়একদিনে ।
ত) কিউরিং ৭ দিন পর্যন্ত করা ভালো গাঁথুনীর কাজশেষে ।
Comments
Post a Comment